Live Pohela Boishakh 1419 ‘Borsho Boron’ Concert, Mangal Shobhajatra from Ramna Park & Dhaka University Shuvo Noboborsho 1419 Programme Online TV Streaming

Live Pohela Boishakh 1419 ‘Borsho Boron’ Concert, Mangal Shobhajatra, Boishakhi Mela, Panta Ilish from Ramna Park & Dhaka University – All Day Shuvo Noboborsho 1419 Programme Online TV Streaming


Live Pohela Boishak 1419 Borsho Boron Mongol Shova Jatra Ramna DU Online Streaming TV

Live TV Streaming of Pohela Boishakh 1419 Events on Boishakhi TV:

Live Boishakhi TV

Date: April 14, 2012

Time: 06:00am onwards (00:00 GMT) (18:00 ET)

Venue: Ramna Park & Dhaka University area

(Double-click on the screen to watch Full Screen Video Streaming)

Bangladesh, where on April 14 every year (the first of Boishakh, aka Pohela Boishakh), the entire country comes alive and erupts into a spontaneous celebration of the Bengali New Year (Shuvo Noboborsho), in an event that clearly reveals the essentially inclusive, humane and secular fundamentals of this country.

Chhyanaut Bangladesh


Borsho Boron, literally meaning, “ushering in the New Year”, is a wonderful festival organised by Chhayanaut (an institution of national importance and a centre for research, teaching and promotion of Rabindra Sangeet and Bengali performing art forms). Chhayanaut first hosted the ‘Borsho Boron‘ programme in 1961. In the initial years, for the Borsho Boron, there would be a few artists performing and a few like minded people as an audience.

The special Borsho Boron was arranged in the Ramna Park — a large green expanse in central Dhaka, and a well-planned and impressive musical soiree took place at the foot of an old expanding banyan tree.

The event which had a very modest beginning was destined to create history and trigger off a national cultural movement. It soon caught the imagination of the people of Bangladesh and has spread like wild fire into a national celebration, becoming an integral part of Bangladesh’s cultural heritage. It has now taken the shape of a movement, with every locality now organising its own Borsho Boron.

The main Borsho Boron programme organised by Chhayanaut generally starts at 6:15 in the morning and lasts for approximately two hours. The event now principally includes songs of the leading five Bengali poets (Tagore, Nazrul, Atulprasad, D.L. Roy and Rajanikant), folk melodies and other traditional music, as well as recitation. Teachers, alumni and students of Chhayanaut present solo, duet and choruses and recitations at the event and it also includes presentation of classical South Asian instrumental music. With large number of artistes singing in once voice, the choruses of Chhayanaut are of the highest possible quality.


Mongol ShovaJatra by Chhayanaut in Pohela Boishakh - Bangla Noboborsho

The programme ends with a three-minute (never a minute more) message by Dr. Sanjida Khatun who, apart from wishing the spectators, makes it a point to remind them, in her own inimitable and gentle way, of the message of Tagore: the importance of being one with nature and of the need to cultivate art and culture, not only for human and social development but also for promoting harmony, cooperation and constructive nation-building.

The Borsho Boron programme then kicks off a cluster of diverse events, including the spectacular pageantry (Mangal Shobhajatra) from the adjoining Charukala (Faculty of Fine Arts), organised by the past and current students of the institution. Simultaneously, there are scores of cultural shows arranged by other organisations, keeping the university area alive with heavy rush of people. The other events in the fringes of Borsho Boron includes Bengali food festivals, fairs selling traditional handicrafts, face painting, folk music, street theatre etc. Integral parts of the festival are traditional sweets and rice cakes, Panta-Ilish-Bhorta (soaked rice, fried Hilsa fish and spicy mashed vegetables) and other delicacies. Millions of people from all walks of life attend the festival, dressed in red and white, in a spontaneous expression of joy and fellow feeling.

While the biggest and the most spectacular celebration takes place at the Ramna Park in central Dhaka, simultaneously thousands of similar smaller celebrations take place throughout the country. The Borsho Boron Festival is telecast live from Ramna Park on Television. In places across the country, communities from minority groups, such as those in the Chittagong Hill Tracts celebrate the day in their own unique and spectacular ways. Apart from bringing forth the opulent cultural heritage of the country, the Borsho Boron festival also clearly celebrates the rich ethnic, cultural and religious diversity of Bangladesh.

Chhayanat has taken great pains and has shown formidable courage in ensuring that it remains completely secular, non-sectarian and apolitical. They have therefore consistently and very successfully resisted the attempts, overt and covert, by politicians to use the powerful Borsho Boron platform to convey political messages.

Borsho Boron Utshab of Bangladesh attains special value and universal importance. Stemming fundamentally from an artistic impulse, what started off as a modest experiment of promoting secular festivals of the seasons and collective art by Tagore in Shantiniketan, it has gained massive momentum in Bangladesh.


Chhayanaut Bhaban, Dhanmondi, Bangladesh

ছায়ানট – জন্মকথা

বাংলা ১৩৬৮, ইংরেজি ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রশতবার্ষিকী পালন করবার ঐকান্তিক ইচ্ছায় পাকিস্তানি শাসনের থমথমে পরিবেশেও কিছু বাঙালি একত্র হয়েছিলেন আপন সংস্কৃতির মধ্যমণি রবীন্দ্রনাথের জন্ম শতবর্ষপূর্তির উৎসব করবার জন্যে। তমসাচ্ছন্ন পাকিস্তানি যুগে কঠোর সামরিক শাসনে পদানত স্বদেশে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রভাবনা অবলম্বন করে ছায়ানট যাত্রা শুরু করে। সারাবিশ্বে শতবার্ষিকীর আয়োজন বাংলার এই প্রান্তের সংস্কৃতিসচেতন মানুষের মনেও চাঞ্চল্য জাগায়। বিচারপতি মাহবুব মুর্শেদ, ডক্টর গোবিন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ বুদ্ধিজীবী যেমন উদ্যোগী হলেন- তেমনি ঢাকার কিছু সংস্কৃতিকর্মীও আগুয়ান হলো শতবর্ষ উদযাপনের উদ্দেশ্যে। অগ্রাহ্য হলো অনতিউচ্চারিত নিষেধ। সংস্কৃতি-প্রাণ মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস এনে দেয় রবীন্দ্রশতবার্ষিকীর সফল উদ্যোগ। শতবার্ষিকী উদযাপন করবার পর এক বনভোজনে গিয়ে সুফিয়া কামাল, মোখলেসুর রহমান (সিধু ভাই), সায়েরা আহমদ, শামসুন্নাহার রহমান (রোজ বু), আহমেদুর রহমান (ইত্তেফাকের ‘ভীমরুল’), ওয়াহিদুল হক, সাইদুল হাসান, ফরিদা হাসান, সন্‌জীদা খাতুন, মীজানুর রহমান (ছানা), সাইফউদ্দীন আহমেদ মানিকসহ বহু অনুপ্রাণিত কর্মী সাংস্কৃতিক আন্দোলন চালিয়ে যাবার জন্যে সমিতি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেন। জন্ম হয় ছায়ানটের।

Chhayanaut Bhaban, Teacher's Office

শুরুতে সঙ্গীতকে অবলম্বন করেই বাঙালির সংস্কৃতি সাধনার সমগ্রতাকে বরণ ও বিকশিত করতে উদ্যোগী হয় ছায়ানট। সঙ্গীত শিক্ষাদান কার্যক্রমের সুবাদে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কীর্তিমান গুণী শিল্পীরা সমবেত হন ছায়ানটে, পরম্পরাক্রমে তাঁরা বিকশিত করতে থাকেন অগণিত নবীন প্রতিভা। বাঙালির শাশ্বত সংস্কৃতিরূপ প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় নিয়ে ছায়ানট পরিবেশিত অনুষ্ঠানমালা জাতির প্রাণে জাগায় নতুন উদ্দীপনা, সঙ্গীত-সংস্কৃতির চর্চা-সূত্রে জাতিসত্তার চেতনা বলবান হতে থাকে। ছায়ানটের উদ্যোগে জাতির শৈল্পিক ও মননশীল মেধার সম্মিলন ও অনুশীলন জাতিকে যোগায় বিকাশের বিবিধ অবলম্বন। চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী, নাট্যশিল্পী, চলচ্চিত্র সংসদ-কর্মী, বিজ্ঞানী, সমাজব্রতী ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রের মানুষের সৃজনচর্চার মিলনমঞ্চ হয়ে ওঠে ছায়ানট এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক অভিযাত্রায় ব্যাপ্তি ও গভীরতা সাধনে পালন করে বিশিষ্ট ভূমিকা। সৃজনের মধ্য দিয়েই পরিচালিত হয়েছিল ছায়ানটের প্রতিরোধী ও সর্বপ্লাবী সংস্কৃতি-সাধনা। বাংলা নববর্ষের প্রভাতী সঙ্গীতায়োজনের সুবাদে ছায়ানট বাঙালিত্বকে আবার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে স্বভূমিতে, স্বদেশের মুক্তি আন্দোলনে যা হয়ে ওঠে প্রেরণাদায়ক।

স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে ছায়ানট বাঙালির সার্বিক সংস্কৃতি চেতনাকে আরো ব্যাপক আর নিবিড়ভাবে ধারণ করার তাগিদ অনুভব করেছে এবং এখন নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণের মধ্য দিয়ে সেই প্রচেষ্টা অধিকতর ফলবান ও সার্থক করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে। ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন ঘিরে শিল্প-সাহিত্য-শিক্ষা-সমাজঅধ্যয়ন ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে চলছে চর্চা ও কর্ষণ। সমাজের ভেতরকার সুপ্ত শক্তি বিকাশে ছায়ানট হবে সহায়ক, চিন্তার দিগন্ত প্রসারে হবে প্রেরণাসঞ্চারী- এই লক্ষ্য থেকেই সূচিত হয়েছে সংগঠনের বিবিধ কর্মধারা।

ছায়ানট সব দুর্যোগ দুর্বিপাকে জনগণের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। কাজটি ছায়ানটের দায় এবং ঐতিহ্যগত। ষাটের দশকের আরম্ভে দেশের দক্ষিণোপকূলে গোর্কি আঘাত হানার পর কোনো

Chhayanaut Bhaban, Entry Foyer

সরকারি সাহায্য ছাড়া উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ নিয়ে গিয়েছিল ছায়ানট। গান গেয়ে গেয়ে ভিক্ষামিছিল করে পথচারী, রিকশাচালক, মায় ভিখারিদের কাছ থেকে পাঁচ পয়সা দশ পয়সা করে নিয়েও জমেছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা। সে সংগ্রহের অনেকাংশ দুর্যোগকালের আশ্রয়স্থল, দু’টি বিদ্যালয় ভবন উন্নয়নের জন্য দেয়া হয়। এরপর ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস ও উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা এবং পরবর্তীকালে যতবারই দেশ সিডর ইত্যাদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ-কবলিত হয়েছে ততবারই ত্রাণ নিয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এ সংগঠন।

You Might Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>