Bangladesh, Calendar, Events

Ekushey February Poems: Dedicated to 1952 Language Movement

Ekushey February Poems: Dedicated to 1952 Language Movement

Ekushey-2012-Poems-Kobita-Chora-Bangladesh-Mother-Language-Day

Ekushey February Poems

The Language Movement had a major cultural impact on Bengali society. It has inspired the development and celebration of the Bengali language, literature and culture. 21 February, celebrated as Language Movement Day or Shohid Dibosh (Martyrs’ Day), is a major national holiday in Bangladesh.

A month-long event called the Ekushey Book Fair is held every year to commemorate the movement. Ekushey Padak, one of the highest civilian awards in Bangladesh, is awarded annually in memory of the sacrifices of the movement.Songs such as Abdul Gaffar Choudhury’s Amar Bhaier Rokte Rangano, set to music by Shaheed Altaf Mahmud, as well as plays, works of art and poetry played a considerable role in rousing the people’s emotions during the movement. Since the events of February 1952, poems, songs, novels, plays, films, cartoons and paintings were created to capture the movement from varied point of views.

Notable artistic depictions include the poems Bornomala, Amar Dukhini Bornomala and February 1969 by Shamsur Rahman, the film Jibon Theke Neya by Zahir Raihan, the stage play Kobor by Munier Chowdhury and the novels Ekushey February by Raihan and Artonaad by Shawkat Osman.Bangladesh officially sent a proposal to UNESCO to declare 21 February as “International Mother Language Day.” The proposal was supported unanimously at the 30th General Conference of UNESCO held on 17 November 1999.

Ekushey February Poems

বর্ণমালা ও বর্ণমালা

শেখ আতাউর রহমান

কোথায় আমার অ আ ক খ কোথায় বর্ণমালা
ইতিউতি খুঁজি আমি কোথায় যে পাঠশালা
সে যে জড়িয়ে আছে ছড়িয়ে আছে তামাম বাংলাদেশে
বুঝি অবশেষে।

নানু-দাদুর শুভ্র দাড়ি
শাপলা বিলে সারিসারি
সাদা বকের পালক
দুরন্ত এক বালক
এদের মাঝে খুঁজে পেলাম আমার বর্ণমালা
লালন ফকির হাছনরাজা জারিগানের পালা
আমার বর্ণমালা।

বৈচিফলের মালা
গৈ-গেরামের ছোট ছোট চালা
হরিয়ালের সবুজ
হয়ো নাকো অবুঝ
কাশবনের দুলুনিতে বর্ণমালা হাসে
বর্ণমালা ছড়িয়ে আছে বিশাল নীলাকাশে
বর্ণমালা দেখি আমি লাল শিমুলের বেশে
বর্ণমালা তুমি জড়িয়ে আছো বেহুলার মেঘবরণ কেশে।

ধান শালিকের দেশ
কি অনন্ত অশেষ
ডাহুক ডাকা ভোর
কি গভীর মায়াডোর
বর্ণমালা বল এবার কোথায় ভুবনডাঙা
তোমার জন্য প্রাণ দিলো যে পথটি হলো রাঙা
রাঙা পথে জয়ের চিহ্ন এলো রাঙা বেশে
বুঝি অবশেষে।

বর্ণমালা বর্ণমালা মুখটি তুলে চাও
সোনার ছেলে শহীদ হলো অশ্রু মুছে দাও।

বর্ণমালা তুমি আসো শিমুল ফাল্গুনে
আমের মুকুল যখন ফোটে ভোমরা গুনগুনে
আসো রঙিন বেশে
এই দুঃখি বাংলাদেশে
ষোলো কোটি ঠোঁটেমুখে জীবন্ত যে তুমি_ বুঝি অবশেষে।

স্মৃতির মিনার

উত্তম মিত্র

মায়ের ভাষা প্রাণের ভাষা
প্রিয় সবার কাছে
এই ভাষাতে যুদ্ধ জয়ের
গল্পগাথা আছে।

মায়ের ভাষায় কথা বলা
এই অধিকার কেনা
বাংলা ভাষার বর্ণমালা
তাইতো বড়োই চেনা।

মায়ের ভাষায় কি যে জাদু
নিত্য-সুখের গল্প ছড়া গান
এই ভাষারই জন্যে সালাম
রফিক দিলো প্রাণ।

ভাই হারানোর কি যে ব্যথা
হৃদয় মাঝে ক্ষত
ভাষা আমার খুন রাঙালো
রক্তজবার মতো।

রক্তে কেনা একুশ তারিখ
ভাষার গন্ধে মাখা
বীর শহীদের স্মৃতির মিনার
বুকের ভেতর আঁকি।

একুশ আমার

মানিক চক্রবর্তী

একুশ আমার রক্তে ভেজা
মায়ের মুখের ভাষা,
একুশ আমার স্বপ্ন প্রদীপ
আলোর মিছিল খাসা।

একুশ এলে বুকে বাজে
রাগ রাগিনীর সুর।
একুশ এলে মায়ের কান্না
হৃদয় ভেঙে চুর।

একুশ মানে রাঙা ফাগুন
পলাশ ফুলে ফুলে,
শহীদ মিনার যাই ছুটে যাই
সকল বাধা ভুলে।

মুখের ভাষা

মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

মুখের ভাষায় বলবো কথা মুখের ভাষায় হাসবো
এই ভাষাতে আকাশ জুড়ে ইচ্ছে মতো ভাসবো
মুখের ভাষার রং তুলিতে ফুলের ছবি অাঁকবো
প্রজাপতির ডানায় ডানায় মন মাতিয়ে থাকবো

মুখের ভাষায় বোনের কাছে বর্ণমালা শিখবো
এই ভাষারই শব্দ দিয়ে ছন্দ-ছড়াও লিখবো
মুখের ভাষার জ্ঞান গরিমায় বিশ্ব জুড়ে ঘুরবো
চাঁদ পেরিয়ে মঙ্গলেরও বিরান বনে উড়বো

মুখের ভাষা মায়ের ভাষা সবুজ শ্যামল দেশ
এই ভাষাতেই নৃত্য করে নিত্য পরিবেশ
মুখের ভাষায় বোষ্টুমি আর বাউল করে গান
পুঁথি পড়ে শোনায় দাদু গৌরবের আখ্যান

মুখের ভাষার জন্যে আমার ভাই হয়েছে লাশ
ভাইকে ভোলার মতো কারো নেই তো অবকাশ।

মাতৃভাষা বাংলা আমার

বদরুল হায়দার

মাতৃভাষা বাংলা আমার
বিশ্বজুড়ে গর্ব যাহার
বাঙালির আজ বাংলা ভাষা
সব ভাষাতেই অহংকার।

ষড় ঋতুর সরস বাহার
বারো মাসের মিল সমাহার
সব ভাষাতেই বাংলা ভাষার
জয় ধ্বনি হয় ভালোবাসার।

মাতৃভাষায় সব ভরসা
আদর সোহাগ স্বপ্ন আশা।
সব প্রগতির সূক্ষ্ম চাষা
মাও মাটির প্রেম পিপাসা।

বাংলা ভাষা

শাহানারা রশীদ ঝরনা

আতা গাছে কুটুম পাখি শিমুল গাছে টিয়ে
আহা কী যে গর্ব আমার বাংলা ভাষা নিয়ে
এই ভাষাতে গল্প, গান ও লিখি অনেক ছড়া
বর্ণমালা যেন আমার মায়ের আদর ভরা
ঘুম পাড়ানি আন্নামাসি যখন শ্লোক কাটে
তখন আমার মনটা হারায় সবুজ রোদের মাঠে
ইচ্ছেগুলো ছন্দে তালে নৃত্য করে সুখে
বাংলা ভাষায় মুখর বাতাস তৃপ্তি ছড়ায় বুকে
ফোটে অশোক কৃষ্ণচূড়া আগুন লাগে ডালে
ভাটির সুরের কাঁপন লাগে মাঝির রঙিন পালে
সোনার কাঠি, রুপোর কাঠি কিংবা বাঁশের বাঁশি
সকল কিছুর চেয়েও আমি বাংলা ভালোবাসি
বাংলা আমার ঝিনুক বুকে মুক্তো মানিক হীরে
তাইতো আমি স্বপ্ন আঁকি এই ভাষাকে ঘিরে।

ভাইয়ের রক্তে আঁকা

রইস মনরম

বাংলা ভাষা গানের পাখি
দোয়েল কোয়েল শ্যামা,
বাংলা ভাষা প্রাণের পাখি
প্রাণ জাগালো যে মা।

বাংলা ভাষা মায়ের আদর
স্নেহের পরশ মাখা,
বাংলা আমার মাতৃভাষা
ভাইয়ের রক্তে আঁকা।

মাতৃভাষা

রহমান আজিজ

বীর বাঙালি বীরের জাতি
প্রমাণিত বিশ্বে
ভাষার জন্য রক্ত দিছি
তাই তো আমরা শীর্ষে

মায়ের ভাষা মুখে নিয়ে
বীরের মতো লড়েছি
মায়ের ভাষার অধিকার তো
আমরাই রক্ষা করেছি।

মাতৃভাষার স্বীকৃতি আজ
আন্তর্জাতিক হয়েছে
বাঙালিদের উন্নত শির
রক্তে লেখা রয়েছে।

একটি মহান একুশে ফেব্রুয়ারি

মিতুল সাইফ

আমরা বুকের রক্তে লিখেছি
বাংলা ভাষার গান
বর্ণমালার অক্ষরগুলো
ভাষা শহীদের দান।

এই সবুজের মাঠ ছিল না তো
ছিল সবখানে কাঁটা,
শকুনের কাছে বন্দী ছিল-এ
নগর শহর গাঁটা।

মায়ের বুকের পাতাল থেকেই
তুলে আনা ভালোবাসা
কেউতো পারেনি কেড়ে নিতে মোর
মায়ের মুখের ভাষা।

মায়ের বোনের ভায়ের প্রেমের
নাড়ি ছেড়া এই টান
রক্ত দিয়েই আমরা এনেছি
মুক্তির আসমান।

বাবার বুকের গন্ধ মেখেছি
ভালোবাসা যার নাম
মায়ের ভাষার মান বাঁচাতেই
জীবন দিয়েছি দাম।

আজকে আমরা বিশ্বের বুকে
মাথাটা তুলতে পারি,
আমাদের আছে একটি মহান
একুশে ফেব্রুয়ারি।

 

দেশে দেশে বাংলা ভাষার নাম

পৃথ্বিশ চক্রবত্র্তী

আমার ছিল মনে একটি
মস্ত বড় আশা
বাংলা ভাষা-ভাষির কাছে
বাংলাই হবে খাসা।
কেউ হবে না কখন কোন
অন্য ভাষায় ব্রতী;
বাংলা ভাষায় বেড়ে উঠবে
শিশু কোমল মতি।

বাংলা ভাষা নিয়ে ছিল
আমার বড় আশা
বাংলাদেশে বাংলাই শুধু
পাবে ভালোবাসা।
উচ্চ আদালতে পাব
বাংলা ভাষার দেখা;
আসল সংবিধানটাও হবে
বাংলা ভাষায় লেখা।

বাংলা ভাষা নিয়ে আমার
মস্ত বড় আশা
বাংলা ভাষা হতো যদি
আন্তর্জাতিক ভাষা।
ইংরেজিটার থাকত না আর
বিশ্বে কোন দাম;
জপতো সবাই দেশে দেশে
বাংলা ভাষার নাম।

একুশ মানে

উত্তম কুমার বিশ্বাস

একুশ মানে বুকের মাঝে
ভাই হারানোর ব্যথা,
রক্ত দিয়ে লিখে রাখা
বাংলা ভাষার কথা।
একুশ মানে সালাম বরকত
রফিক শফিক নাম,
নিজের জীবন বিলিয়ে যারা
দিলো ভাষার দাম।
একুশ মানে শহীদ মিনার
প্রভাত ফেরির গান
ফুলের মালা সবার হাতে
উদ্বেলিত প্রাণ।
একুশ মানে একাত্তরে
মুক্তি সেনার বেশ,
রক্ত নদী পেরিয়ে পাওয়া
স্বাধীন বাংলাদেশ।

আসে একুশ

এ. কে. আজাদ

আসে একুশ প্রতিবছর
স্মৃতিগাথা নিয়ে,
শহীদ ভাইয়ের ত্যাগের কথা
ভাবি হৃদয় দিয়ে।
আসে একুশ গাছে গাছে
আনে ফুলের রাশি,
শিমুল-পলাশ-কৃষ্ণচূড়া
ছড়ায় মধুর হাসি।
আসে একুশ ব্যথার স্মৃতি
জাগে মানসপটে,
শহীদ হলো সেদিন যারা_
ধন্য তারা বটে।
আসে একুশ যায় একুশ
অনেক থাকে কথা,
আত্মত্যাগের মহান স্মৃতি
জাগায় পেলবতা।

আমার একুশ

মো. উজ্জলুর রহমান শিমুল

একুশ আমার অহঙ্কার
একুশ আমার আশা
একুশ নিয়ে লিখেছিলাম
মায়ের ভালোবাসা।

একুশ আমার চেতনা
একুশ আমার প্রাণ
একুশ আমায় দিয়েছে
মায়ের ভাষার মান।

একুশ আমার রক্তে ভেজা
একুশ মেশিনগান
একুশ মানে রাজপথে
ভাষার সেস্নাগান।

একুশ আমার মায়ের ভাষা
একুশ আমার সুখ
একুশ আমায় দিয়েছে
মায়ের একটি মুখ।

একুশ আমার মুক্ত স্বাধীন
একুশ আমার স্বাধিকার
একুশ আমায় দিয়েছে
কথা বলার অধিকার।

You Might Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>