Ekushey Boi Mela 2012: Download All New Books List, Price and Cover

Ekushey-Boi-Mela-2012

Ekushey Boi Mela 2012

The month-long Amar Ekushey Boi Mela 2012 was inaugurated by Prime Minister Sheikh Hasina at the Bangla Academy premises in the city on Feb 1,2012. The fair is held each year in commemoration of the martyrs of the 1952 Language Movement in which the Bengali nationhood was seeded.

After announcing the inauguration, the PM visited some of the book stalls and talked with the publishers. She urged the people to read more books for making an enlightened nation. This year several voluntary organisations, government and non-governmental organisations and media houses have also participated in the fair. Some of the private satellite television channels are airing live updates from the fair venue every day regarding new publications.

Ekushey Boi Mela 2012 authorities are hopeful that a higher number of books of different genres will hit the fair than last year’s 3013. According to the Bangla Academy, last year publishers sold books worth some Tk 250 million including Academy’s sale of Tk 7.2 million while previous year’s total sale was worth Tk 200 million. Like previous years, Nazrul Mancha – a stage dedicated to national poet Kazi Nazrul Islam was set up to hold cultural programmes. Separate corners have been reserved for children’s and liberation war based books as well.

The 28 day long Boi Mela 2012 will get a day’s extension this year due to a leap year in 2012. Boi Mela 2012 will remain open from 3:00pm to 9:00pm daily except holidays. On holidays, the gate will open at 11:00am and close at 9:00pm. On February 21, the UN-declared International Mother Language Day, Boi Mela 2012 will open at 8:00am and continue till 09:00pm.

Download All new books list and price from Ekushey Boi-Mela 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 10, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 10, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 09, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 08, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 07, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 06, 2012

Download Boi Mela 2012 New Books List of Feb 04, 2012

 

বইমেলা: দশ দিনের হালচাল

ইতিমধ্যেই আমরা অমর একুশে গ্রন্থমেলার প্রথম দশ দিন অতিক্রম করেছি। বইমেলাকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সমীকরণ কী দাড়াঁল, তা দেখে নেওয়া যাক বইমেলার গত দশ দিনের হালচাল বিশ্লেষণ করে। যদি মেলাকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন বই প্রকাশ আর বছরের অন্য সময়ের তুলনায় পরিমাণে বেশি বই বিক্রি সফলতার মাপকাঠি হয়, তবে অন্যবারের ন্যায় এবারও বইমেলা সফল। বিশেষত, কয়েকটি প্রকাশনীর জন্য অত্যন্ত বেশি সফল। আর যদি বইমেলা সফল ও সার্থক হওয়ার অন্য মাপকাঠি থাকে, যদি মেলায় শুধুমাত্র বেচাকেনার বাইরে আরও বিশেষ প্রত্যাশা থাকে তাহলে তার খেরোখাতার হিসেবটা দেখে নেওয়া যাক। আশা করি, বই বিক্রির বণিজ্যিক হিসেব-নিকেশ ছাড়াও পাঠকবর্গের আরও কিছু হিসেব আছে।

মেলা শুধু বই কেনাবেচার ক্ষেত্রই নয়। হাজার হাজার পাঠকের আগমনে উৎসব, আড্ডাপ্রিয় মানুষের হৈ হুল্লোর, নাচেগানে মুখর সারাবেলা, এসবও বইমেলার অপরিহার্য অংশ এখন। তাই মেলার লেখক-পাঠক-প্রকাশক ও মেলা ব্যবস্থাপনার নানা দিক, প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি, আনন্দ-বেদনার বিচিত্র অভিজ্ঞতা নিচের আলোচনায় তুলে ধরা হলো।

বইমেলা মনে করিয়ে দেয় গ্রামীণ মেলার স্মৃতি
শাহবাগ থেকে শুরু করে দোয়েল চত্বর মেলার আশপাশের চিত্র দেখলে মনে হবে যেন কোথাও যেন কোনো গ্রামীণ মেলা বসেছে। বিশেষত ছুটির দিনগুলিতে রাস্তার দুই ধারে যেভাবে বিচিত্র পণ্যে দোকানে দোকানে ছেয়ে যায় মেলা প্রাঙ্গণ। রঙিন চুড়ি, হাতের বালা, লেইস ফিতা, গলা ও কানের অলংকারসহ যৎসামান্য মূল্যের রকমারি দোকান বসেছে মেলাকে ঘিরে। এরকমই এক দোকানি সুফিয়া খাতুন মেলায় এসেছেন নানা রঙের কাঁচের চুড়ির বাহার নিয়ে। তিনি বললেন, ‘কত মাইয়াপোলা আহে, হেরাই কেনে জামা শাড়ির লগে রং মিলাইয়া।’ পাপড় ভাজা, শন পাপড়ি, খেলনা আর পুতুল বিক্রেতায় ভরে যায় টিএসসির বিকেলের রাস্তা। এযেন কোনো জাতীয় উৎসব। মেলায় আসা শিশুরা সব নতুন রঙিন জামায় ফুটফুটে!

বই প্রকাশের ধুম
গত দশদিনের প্রতিদিন গড়ে শতাধিক বই প্রকাশ হয়েছে বইমেলায়। দুই শতাধিক বই একই দিনে প্রকাশিত হওয়ার রেকর্ডও আছে। তবে এর মধ্যে কয়টি বই পাঠযোগ্যতার মানোত্তীর্ণ হয়েছে, তা ভাববার বিষয়। শতাংশে অন্তত কুড়িটি বই যদি মানসম্মত না হয় তাহলে কি শ্রম-সময়, মেধা ও অর্থের অপচয় করে এই মেলা আয়োজনের কোনো সার্থকতা আছে? বিনোদনমূলক বই ও বিনোদন প্রদানকারী লেখকের প্রচার ও প্রসারেই মেলা সীমায়িত হয়েছে বলা যায়। মিডিয়া বা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো তারা তা করছে না। ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতি ও গৃহীত পদক্ষেপগুলো যেন আলু-পটল ব্যবসায়ীর ন্যায় পুস্তক ব্যবসায়ীদের পক্ষেই যাচ্ছে।

গবেষণা-নিরীক্ষাধর্মী বইয়ের অভাব
বইমেলায় আসা বিপুল বইয়ের সমারোহে গবেষণা-নিরীক্ষাধর্মী বই সবচাইতে বিরল। রুচিশীল পাঠকের জন্য মননশীল-সৃজনশীল বই অপ্রতুল। এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র সমালোচক অনুপম হায়াৎ-এর কথা প্রণিধানযোগ্য। ‘লেখকেরা এখন আর প্ররিশ্রম করে বই লেখেন না। ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য যোগাড় করে ফেলেন, নিজ হাতে খাটাখাটনি করে বই লিখতে বসেন না। একটি বই দেখে লিখলে হয় নকল আর দশটি বই পড়ে লিখলে তা হয় গবেষণা। এই কষ্টকর পথে লেখকেরা আর হাঁটেন না।’

বিষয়ভিত্তিক বই প্রকাশ হয় না

প্রকাশকদের যেন একেবারেই আগ্রহ নেই কোনো প্রয়োজনীয় বিষয়ভিত্তিক বই প্রকাশে। ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন, সঙ্গীত, বিজ্ঞান বা সমাজবিজ্ঞনের শিক্ষার্থীরা বইমেলায় এসে হতাশ হয়ে ফিরছেন। কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের ছাত্র এসএমএ মার্সেলের সঙ্গে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘সারা বছর তো আমাদের বই কেউ প্রকাশ করে না, তাই আশা নিয়ে এসেছিলাম মেলায়। কিন্তু এখানেও পেলাম না সঙ্গীতের বই। ভেবেছিলাম মেলা উপলক্ষে কিছু বই বের হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রকাশকেরা বলেন বিষয়ভিত্তিক বইয়ের পাঠক নেই। তাই তারা এই ধরনের বই প্রকাশ করেন না। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আমাদের সহপাঠীরা সবাই  তাদের নিজ নিজ বিষয়ভিত্তিক বই বাজারে খুঁজে পায় না। আসলে প্রকাশকেরা সিনেমা হলের টিকেট বিক্রি করার মতো করে বই বিক্রি করতে চান, তাই তারা তরল ও জনপ্রিয় লেখকেরই বই শুধু প্রকাশ করতে চায়।’

বাংলাদেশে মিডিয়ার সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে এবং সেখানে যে পরিমাণ তরুণেরা কাজ করছে সেটা মাথায় রেখে যদি মিডিয়া বিশ্লেষণের বই প্রকাশ করা যায় তবে তার কাটতিও বেশ ভালই হবে। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এখন ফিল্ম নিয়ে পড়াশোনা করছেন অনেক শিক্ষার্থী কিন্তু তারা তাদের দরকারি বই পাচ্ছেন কি?

ভয়াবহ অবস্থা শিশুদের বইয়ের
সবচেয়ে মনোযোগ দিয়ে যে শিশুদের বই প্রকাশ করার কথা সেখানেই সবচাইতে অমনোযোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে। বানান ভুল, মুদ্রণ প্রমাদ কিংবা জঘন্য ইলাস্ট্রেশনের কথা বাদ দিলেও অসুস্থ ও অরুচিকর বইয়ে সয়লাব শিশুদের বই। শুধুমাত্র হিন্দি চ্যানেলে দেখানো ‘ডোরেমন’ সিরিজের বই যেভাবে হরেদরে প্রকাশ হয়েছে তা দেখলেই গা শিউরে উঠবে যেকোনো চিন্তাশীল মানুষের। অপসংস্কৃতির প্রভাবে যেভাবে সৃজনশীলতাহীন ও বিকারগ্রস্ত হয়ে বেড়ে উঠছে আমাদের শিশুরা। এ পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়ার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম প্রকাশনাশিল্প। কিন্তু তাও এখন বিকৃতি প্রকাশের হাতিয়ার।

স্টলগুলি যেন কবুতরের খোপ
ছয় ফুটের একটি স্টলে বই কিনতে এসে লেখক-পাঠক-প্রকাশকের মিলন ঘটার সুযোগ কোথায়? কিন্তু বলা হয় লেখক-পাঠক-প্রকাশকের মিলনমেল একুশে বইমেলা। ছুটির দিনগুলিতে ভিড় এমন চরমে ওঠে যে ক্রেতার কোনো সুযোগ নেই স্টলের স্বল্প পরিসরে দাঁড়িয়ে বইয়ের কয়েকটি পাতা উল্টে বই কেনার। পুরো মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় ঠেলে ঠেলে সর্বক্ষণ সচল থাকতে হয় দর্শনার্থীদের। কোথাও দাঁড়িয়ে গল্প করার ফুসরতটুকু নেই এখানে। তাই একবার মেলা থেকে কেউ বেড়িয়ে গেলে প্রিয় বইটি না কিনে সে আর ফিরে আসে না। প্রকাশক সাঈদ বারী বললেন, ‘কলকাতা বইমেলায় হয় বিশাল বিশাল বইয়ের স্টল। মেলাকে প্রাণবন্ত করতে হলে আমাদেরও এই ঘুপচি মেলা প্রাঙ্গণ ছেড়ে বড় পরিসরে যেতে হবে।’

মুনালোভী প্রকাশক
শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল অভিযোগ করে বলেছিলেন, ‘এক প্রকাশকের প্রকাশিত বই অন্য প্রকাশক ছাপিয়ে দিচ্ছেন অনুমতি না নিয়ে। ভারতীয় জনপ্রিয় লেখকদের বই ছাপাচ্ছেন মুনাফার ধান্দায়। পাইরেটেড বই বিক্রি করছে আবার কেউ কেউ। এরা আসলে প্রকাশক নয়, মুনাফালোভী। এদের বিষয়ে বাংলা একাডেমী কোনো পদক্ষেপ নেয় না। ‘গদ্যপদ্য’-এর প্রকাশক অভিযোগ করে বলেছিলেন, ‘শত শত সংগঠনকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যাদের একটিও প্রকাশিত বই নেই তারাও স্টল পেয়েছে। অপর দিকে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান মেলার বাহিরে অথবা নামমাত্র জায়গা বরাদ্দ পেয়েছে, যা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।’

মেলাকে কেন্দ্র করে উঠেছে আরও নানা অভিযোগ, অনুযোগ

লেখক-পাঠক-প্রকাশকের চাহিদা মিটছে না বর্তমান পরিসরে আয়োজিত মেলায়। বিবিধ অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতির অভিযোগও করছে কেউ কেউ। তাই মানুষের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে মেলাকে কেন্দ্র করে তাকে আরও বেগবান করতে, বাংলাদেশের প্রকাশনাশিল্পে প্রভূত উন্নতি সাধন করে সেই উৎসাহ ধরে রাখতে হবে। আমাদের জাতীয় জীবনে মননশীলতার বীজ বপন করতে প্রকাশনাশিল্পকে মুনাফালোভীদের খপ্পর থেকেও করতে হবে মুক্ত। আর এ কাজগুলিপরিসমাপ্ত না করে বইমেলা সার্থক হওয়ার সুযোগ নেই।

 

একুশে পদকের জন্য ১৫ জন নির্বাচিত

নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালের একুশে পদক প্রদানের জন্য সরকার ১৫ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছে।
নির্বাচিত ব্যক্তিরা হলেন:

১. ভাষা আন্দোলনে মমতাজ বেগম (মরণোত্তর);

২. শিল্পকলায় মোবিনুল আজিম (মরণোত্তর), তারেক মাসুদ (মরণোত্তর), ড. ইনামুল হক, মামুনুর রশীদ ও অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামী;

৩. সাংবাদিকতায় এহেতশাম হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), আশফাক মুনীর চৌধুরী (মিশুক মুনীর) (মরণোত্তর), হাবিবুর রহমান মিলন;

৪. শিক্ষায় অধ্যাপক অজয় কুমার রায়, ড. মনসুরুল আলম খান, ড. এ কে নাজমুল করিম (মরণোত্তর);

৫. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক বরেন চক্রবর্তী;

৬. সমাজসেবায় শ্রীমত্ শুদ্ধানন্দ মহাথের;

৭. ভাষা ও সাহিত্যে ড. হুমায়ুন আজাদ (মরণোত্তর)।
২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২ সালের একুশে পদক দেবেন। নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ এক লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.